• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
Headline
প্রকাশ্যে ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’এর প্রথম ঝলক যুদ্ধের ক্ষত, নিঃসঙ্গতা ও মানুষ-প্রাণীর গভীর বন্ধন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শেহবাজ শরীফের বৈঠক প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক যাচ্ছেন কাল, সফরসঙ্গী চার মন্ত্রীসহ ৩৫ জন শহীদ পরিবারগুলোর কল্যাণে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রেসিডেন্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন এমপি! শাহজালালে ৯৪ ও ওসমানীতে ৯৮ শতাংশ স্কোর, কার্গো নিরাপত্তায় শতভাগ কমপ্লায়েন্স জঘন্য অপরাধের ঘটনায় দ্রুততম সময়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নাচে অপমানিত ক্যাটরিনা, সেই কথাই হয়ে ওঠে বদলের কারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৭ Time View
Update : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Link Copied !

বলিউডে নিজের সৌন্দর্য ও অভিনয় দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ক্যাটরিনা কাইফ। সময়ের সঙ্গে একের পর এক সফল সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। তবে ক্যারিয়ারের শুরুতে শুধু প্রশংসা নয়, নানা ধরনের কটাক্ষও শুনতে হয়েছে এই অভিনেত্রীকে। এমনকি নাচের দক্ষতা নিয়েও তাকে অপমানজনক মন্তব্যের মুখে পড়তে হয়েছিল। সম্প্রতি এক পডকাস্টে হাজির হয়ে সেই পুরোনো দিনের কথা সামনে আনেন জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার ফারাহ খান। অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে ছিলেন কোরিওগ্রাফার বস্কো মার্টিস। আলোচনার একপর্যায়ে উঠে আসে ক্যাটরিনার নাচ শেখার সময়কার নানা অভিজ্ঞতা।

বস্কো জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এক কোরিওগ্রাফার ক্যাটরিনাকে বলেছিলেন, নাচ তার জন্য নয়। কঠোর পরিশ্রম করেও এমন মন্তব্য শুনতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। ওই কোরিওগ্রাফারের দাবি ছিল, নাচে ক্যাটরিনা ‘শূন্য’ এবং তার নাচ ছেড়ে দেওয়া উচিত। তবে সেই মন্তব্য যে শেষ পর্যন্ত ক্যাটরিনার আত্মবিশ্বাস ভেঙে দিতে পারেনি, তার প্রমাণ মেলে পরবর্তী সময়ে। ফারাহ খানের কোরিওগ্রাফিতে ‘শিলা কি জওয়ানি’ গানে দুর্দান্ত নাচ করে দর্শকদের চমকে দেন ক্যাটরিনা। গানটি তার ক্যারিয়ারে নাচের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন এনে দেয় বলেও মনে করেন বস্কো।

ফারাহ জানান, ‘শিলা কি জওয়ানি’ ছিল তার কোরিওগ্রাফ করা গানগুলোর মধ্যে তুলনামূলকভাবে কম বাজেটের একটি কাজ। মাত্র ১০ জন নৃত্যশিল্পী ও ক্যাটরিনাকে নিয়ে গানটির শুটিং করা হয়েছিল। তার মতে, এই গান দিয়েই নৃত্যশিল্পী হিসেবে ক্যাটরিনার নতুন পরিচয় তৈরি হয়।

ক্যাটরিনার নাচের দক্ষতা নিয়ে তখন ফারাহ নিজেও খুব বেশি জানতেন না। তার ভাষায়, ‘টাচ মি’ গানে ক্যাটরিনা নেচেছিলেন ঠিকই, কিন্তু তখনও তাকে নৃত্যশিল্পী হিসেবে আলাদা করে ভাবা হতো না। ক্যাটরিনার জন্য ফারাহর কোরিওগ্রাফ করা প্রথম গান ছিল ‘জাস্ট চিল’।

বস্কোর মুখে পুরোনো সেই কটাক্ষের কথা শুনে ফারাহও কিছুটা অবাক হন। ক্যাটরিনাকে কখনোই পুরোপুরি ‘শূন্য’ বলে মনে করেন না তিনি। বরং মজা করে বলেন, শুরুতে হয়তো তাকে চার বা পাঁচ নম্বর দেওয়া যেত। কিন্তু ‘শিলা কি জওয়ানি’র পর নাচের ক্ষেত্রে ক্যাটরিনা ৯ কিংবা ১০-এর পর্যায়ে চলে যান।

এরপর একে একে তার ঝুলিতে আসে ‘চিকনি চমেলি’, ‘কালা চশমা’র মতো জনপ্রিয় ডান্স নম্বর। এসব গানে ক্যাটরিনার পারফরম্যান্স দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

তবে পুরোনো সেই নেতিবাচক মন্তব্য ক্যাটরিনাকে একসময় বেশ প্রভাবিত করেছিল। তিনিও বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন, হয়তো সত্যিই তাকে দিয়ে নাচ হবে না। সেই সময় বস্কোর উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বলা যায়, সেই উৎসাহই আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে ক্যাটরিনাকে সাহায্য করে। পরবর্তী সময়ের একের পর এক জনপ্রিয় নাচের গানই হয়ে ওঠে তার সেই আত্মবিশ্বাসের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category