• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
Headline
প্রকাশ্যে ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’এর প্রথম ঝলক যুদ্ধের ক্ষত, নিঃসঙ্গতা ও মানুষ-প্রাণীর গভীর বন্ধন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শেহবাজ শরীফের বৈঠক প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক যাচ্ছেন কাল, সফরসঙ্গী চার মন্ত্রীসহ ৩৫ জন শহীদ পরিবারগুলোর কল্যাণে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রেসিডেন্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন এমপি! শাহজালালে ৯৪ ও ওসমানীতে ৯৮ শতাংশ স্কোর, কার্গো নিরাপত্তায় শতভাগ কমপ্লায়েন্স জঘন্য অপরাধের ঘটনায় দ্রুততম সময়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name / ১৫১ Time View
Update : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

Link Copied !

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘পিপলস ম্যান্ডেট : সিটিজেন ডায়ালগ অন ম্যানিফেস্টো টু অ্যাকশন’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, আগামী চার বছরের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে ‘ইশতেহার বাস্তবায়নের সংকট ও সম্ভাবনা : নগর উন্নয়ন ও জলবায়ু সহিষ্ণুতা’ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়, যেখানে প্রতিমন্ত্রী বর্তমান সরকারের প্রথম তিন মাসেই ইশতেহারের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও জনকল্যাণমুখী কাজ সফলভাবে শুরু হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারে নির্বাচনী ইশতেহারে অন্যতম প্রধান এজেন্ডা ছিল ফ্যামিলি কার্ড। নারীদের স্বাবলম্বী করতে এরইমধ্যে সরকার মাঠ পর্যায়ে এই কার্ড বিতরণ শুরু করেছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে দেশজুড়ে নতুন করে খাল খনন কর্মসূচি জোরদার করা হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নির্বাচনে বিএনপি যে ইশতেহার ঘোষণা করেছিল, তা শতভাগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

রাজধানীর প্রশাসনিক জটিলতা ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকার যেকোনো সমস্যা তৈরি হলেই সাধারণত সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় সরকার বিভাগকে দায়ী করা হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে রাজধানীর সব কাজের একক এখতিয়ার স্থানীয় সরকারের হাতে নেই। তাই নাগরিক সেবার গতি বাড়াতে হলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী চিরাচরিত ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে আধুনিক সিটি গভার্নেন্স নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। নগরায়ণ ও পরিবেশগত সুরক্ষায় শহরের নদ-নদী ও খাল-বিল দূষণমুক্ত রাখতে এখন থেকে প্রতিটি বাসাবাড়িতে নিজস্ব সেপটিক ট্যাংক করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে, যার জন্য রাজউকের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে।

একই সঙ্গে অতীতের প্রকল্পগুলোর সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সম্পূর্ণ আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক রূপ দিতে চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষীক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া নানা অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা ও নানামুখী সংকট মাথায় নিয়েই বর্তমান সরকারকে পথ চলতে হচ্ছে।

তবে এসব চ্যালেঞ্জ সাহসের সাথে মোকাবিলা করে আগামী চার বছরের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহারের বাকি সব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হবে বলে এপিই, সচেতন ফাউন্ডেশন ও ব্র্যাক সিথ্রিইআরসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই নাগরিক সংলাপে আশা প্রকাশ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category