• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
Headline
প্রকাশ্যে ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’এর প্রথম ঝলক যুদ্ধের ক্ষত, নিঃসঙ্গতা ও মানুষ-প্রাণীর গভীর বন্ধন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শেহবাজ শরীফের বৈঠক প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক যাচ্ছেন কাল, সফরসঙ্গী চার মন্ত্রীসহ ৩৫ জন শহীদ পরিবারগুলোর কল্যাণে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রেসিডেন্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন এমপি! শাহজালালে ৯৪ ও ওসমানীতে ৯৮ শতাংশ স্কোর, কার্গো নিরাপত্তায় শতভাগ কমপ্লায়েন্স জঘন্য অপরাধের ঘটনায় দ্রুততম সময়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসায় কড়াকড়ি, পরিবার নেওয়ার সুযোগ সীমিত

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২২ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Link Copied !

অভিবাসন কমাতে বিদেশি শিক্ষার্থী ও ব্যাকপ্যাকারদের ভিসা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে অস্ট্রেলিয়া। নতুন নিয়মে অধিকাংশ বিদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনার সময় স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে দেশটিতে যেতে পারবেন না। একই সঙ্গে ‘ওয়ার্কিং হলিডে’ ভিসার নিয়মও কঠোর করা হচ্ছে।

বার্তাসংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিবাসন নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় চলমান বিতর্কের মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এসব পরিবর্তনের কথা জানান দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক।
সরকারের আশা, নতুন সংস্কারের ফলে ২০২৮ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় বছরে নিট অভিবাসন প্রায় ২ লাখ ২৫ হাজারে নেমে আসবে। বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ। অর্থাৎ মহামারির আগের সময়ের কাছাকাছি পর্যায়ে অভিবাসন নামিয়ে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

নতুন নিয়মে অধিকাংশ স্টুডেন্ট ভিসাধারীর পরিবারের সদস্যদের আলাদা করে আবেদন করে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। তবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের কয়েকটি দেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশের শিক্ষার্থীরা স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানকে সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা স্টুডেন্ট ভিসা নবায়ন করতে পারবেন কেবল তখনই, যখন তারা আগের চেয়ে উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের দিকে এগোবেন।
‘ওয়ার্কিং হলিডে’ ভিসার মেয়াদ বাড়াতে চাওয়া ব্যাকপ্যাকারদের জন্য লটারির ব্যবস্থা চালু করা হবে। একই সঙ্গে সব ধরনের ভিজিটর ভিসায় ‘আর থাকা যাবে না’—এমন শর্ত যুক্ত করা হবে। এর ফলে ভিসাধারীরা অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করে পার্টনার ভিসার মতো অন্য কোনো ভিসার আবেদন করে দেশটিতে থাকার সুযোগ পাবেন না।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্বামী-স্ত্রী ও সঙ্গীরা অস্ট্রেলিয়ায় কাজ করতে পারেন। তবে তাদের কাজের সময় শিক্ষার্থীর পড়াশোনার কোর্সের ওপর নির্ভর করে।
রয়টার্স জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে আন্তর্জাতিক শিক্ষাখাত অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতিতে ৫৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার বা প্রায় ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবদান রেখেছে। দেশটির রপ্তানি আয়ের দিক থেকে এটি চতুর্থ বৃহত্তম খাত। এরপরও অভিবাসন কমানোর ক্ষেত্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে লেবার সরকার।

গত চার বছরে স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন ফি প্রায় ৩০০ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৫০০ অস্ট্রেলীয় ডলারে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি গ্র্যাজুয়েট ভিসার আবেদনকারীদের ইংরেজি ভাষার যোগ্যতা ও ন্যূনতম সঞ্চয়ের শর্তও কঠোর করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক বলেছেন, কট্টর ডানপন্থি ওয়ান নেশন পার্টির রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সরকার এসব পরিবর্তন আনছে—এমন ধারণা ভুল। তার ভাষায়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে প্রায় দুই বছর সীমান্ত বন্ধ থাকার পর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়া সীমান্ত খুলে দেয়। এরপর দেশটিতে অভিবাসন দ্রুত বাড়তে থাকে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, ব্যাকপ্যাকার ও অস্থায়ী কর্মীরা এতে বড় ভূমিকা রাখেন।

তবে গত দুই বছরে অভিবাসনের হার কমেছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এক বছরে অস্ট্রেলিয়ায় নিট বিদেশি অভিবাসনের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি ছিলেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী।
এর আগে ২০২৩ সালে দেশটিতে নিট বিদেশি অভিবাসন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ১৮ হাজারে পৌঁছেছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category