• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
Headline
প্রকাশ্যে ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’এর প্রথম ঝলক যুদ্ধের ক্ষত, নিঃসঙ্গতা ও মানুষ-প্রাণীর গভীর বন্ধন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শেহবাজ শরীফের বৈঠক প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক যাচ্ছেন কাল, সফরসঙ্গী চার মন্ত্রীসহ ৩৫ জন শহীদ পরিবারগুলোর কল্যাণে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রেসিডেন্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন এমপি! শাহজালালে ৯৪ ও ওসমানীতে ৯৮ শতাংশ স্কোর, কার্গো নিরাপত্তায় শতভাগ কমপ্লায়েন্স জঘন্য অপরাধের ঘটনায় দ্রুততম সময়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাগেরহাটের ৬৭২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭৩ Time View
Update : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬

Link Copied !

বাগেরহাটের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলায় মোট ১ হাজার ১৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬৭২টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। অর্থাৎ জেলার অর্ধেকেরও বেশি বিদ্যালয় চলছে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক ছাড়াই। এর মধ্যে ১৮৮টি বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদের ‘চলতি দায়িত্ব’ দিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাজ চালানো হচ্ছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বাগেরহাট সদর উপজেলায় ৮৫টি, ফকিরহাটে ৫০, মোল্লাহাটে ৭০, কচুয়ায় ৪৬, চিতলমারীতে ৬৭, রামপালে ৯২, মোংলায় ৫৪, মোড়েলগঞ্জে ১২৫ এবং শরণখোলায় ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

প্রধান শিক্ষক না থাকায় এসব বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি পাঠদানের দায়িত্বও সামলাতে হচ্ছে সহকারী শিক্ষকদের। ফলে একদিকে দাপ্তরিক কাজ, অন্যদিকে নিয়মিত ক্লাস নেওয়ায় শিক্ষকদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ২৮১ নম্বর পূর্ব বারইখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খানম বলেন, বিদ্যালয়ে ৯৬ জন শিক্ষার্থী এবং পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন। প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিয়মিত ক্লাসও নিতে হচ্ছে। প্রধান শিক্ষক থাকলে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজগুলো তিনি দেখভাল করতে পারতেন এবং আমরা মনোযোগ দিয়ে পাঠদান করতে পারতাম। কিন্তু এখন দুটোই সামলাতে গিয়ে বেগ পেতে হচ্ছে।

পলাশ শেখ নামে এক অভিভাবক বলেন, শিক্ষকরা আন্তরিকভাবেই পড়াচ্ছেন, কিন্তু প্রধান শিক্ষক না থাকায় তাদের ওপর বাড়তি দায়িত্ব পড়ে। স্কুলের দাপ্তরিক কাজ ও প্রশাসনিক বিষয় সামলাতে গিয়ে শিক্ষকদের অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকতে হয়, যা পরোক্ষভাবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় প্রভাব ফেলে। তাই দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।

শুধু বাগেরহাট নয়, দেশজুড়েই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের সংকট প্রকট। তথ্য অনুযায়ী, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ৩৬ হাজার ২৩৫টি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। তবে উচ্চ আদালতের রায়ের পর এসব পদে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বাগেরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরীন আকতার বলেন, জেলায় প্রধান শিক্ষকের বেশ কিছু পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনায় কিছুটা চাপ তৈরি হচ্ছে। তবে শূন্য পদ পূরণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ চলছে। সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে যোগ্যদের চলতি দায়িত্ব দিয়ে বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম সচল রাখা হয়েছে। দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ হলে কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category